আন্দোলন সংগ্রামের পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বড় একটি সংখ্যার পদোন্নতি হয়েছে। একদিনে ২৩ সহযোগি অধ্যাপক পর্যায়ের শিক্ষকদের অধ্যাপক করা হয়েছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) পদোন্নতির চিঠি পেয়ে সংশ্লিষ্টরা যোগদানও করেছেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মামুন অর রশিদ বলেন, সিন্ডিকেট সভার সিদ্বান্ত অনুযায়ী পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। কতজনকে দেয়া হয়েছে সঠিক সংখ্যা আমি জানি না। বিষয়টি রেজিস্টার ভালো বলতে পারবেন।কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) ড. আব্দুল আলিম বশিরকে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি।
তবে পদোন্নতি পেয়ে যোগদান করা এক শিক্ষক বলেন, আজ পদোন্নতির চিঠি পেয়ে যোগদান করেছি। জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগি অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে বিভিন্ন সময় বোর্ড বসে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের বাধায় পদোন্নতি আটকে যায়। পদোন্নতি বঞ্চিত হয়ে শিক্ষকরা অনশনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে।
একপর্যায়ে শিক্ষকদের আন্দোলনে সর্বশেষ উপাচার্য ড. তৌফিক আলমকে সরিয়ে দেয়া হয়। গত ২৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৫তম সিন্ডিকেট সভায় পদোন্নতির নীতিমালা তৈরি করা হয়। পরে ২৩ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।
অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ড. প্রবীর কুমার ভৌমিক, মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. জামাল উদ্দীন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. সাদেকুর রহমান, ড. তারেক মাহমুদ আবীর, লোকপ্রশাসন বিভাগের ড. ইসরাত জাহান, কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ড. হাফিজ আশরাফুল হক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ড. সুব্রত কুমার দাস, ইতিহাস বিভাগের ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ড. ধীমান কুমার রায়, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল, রসায়ন বিভাগের ড. গাজী জহিরুল ইসলাম, ড. হালিমা বেগম, ড. মো. নাজমুল কায়েস, ড. মো. মাসুদ পারভেজ, গণিত বিভাগের ড. মো. শফিউল আলম, ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, ড. বিজন কৃষ্ণ সাহা, ড. হেনা রানী বিশ্বাস, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ড. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড. আজিজুর রহমান, ড. সোহেল চৌধুরীও ড. মো. আলমগীর মোল্লা।
তালিকায় থাকা মার্কেটিং বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ড. আব্দুল কাইউমকে পদোন্নতি দেয়া হয়নি। তার বিষয়ে পরে সিদ্বান্ত নেয়া হবে। এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য ড. আব্দুল কাইউমকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

